মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০১৮, ০৩:১০:৪৮

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:২৬:২৪ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon


সিটি নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব নাকচ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বিষয়ে করা বিএনপির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুই সিটিতেই পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) ইসি সচিবালয়ে বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয় ইসির। বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির প্রতিনিধি দল কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছে। আইন ও বিধি অনুযায়ী যেগুলো পূরণ করা সম্ভব কমিশন তা বিবেচনার কথা বলেছে।’

সেনা মোতায়েন বিষয়ে হেলালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কমিশন আগেই বলেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই।’

ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ইভিএম ব্যবহারে আপত্তি তুলেছিল। কমিশন বলেছে, আইন ও বিধিতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কমিশন থেকে বিএনপির প্রতিনিধি দলকে বলা হয়েছে এই প্রযুক্তি খুবই আধুনিক। এটি হ্যাক করার কোনো সুযোগ নেই। এই প্রযুক্তি সম্পর্কে কোনো সন্দেহ থাকলে আপনারা এসে এটি দেখুন। কোনো সমস্যা থাকলে বলুন।’

ইসি সচিব এসময় রংপুর সিটি নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন।

ইসির সাথে বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ ও দলের যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন।

বেলা সোয়া ১১টার দিকে শুরু হওয়া প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠক শেষে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট তারিখের ৭ দিন আগে থেকে নির্বাচনী এলাকায় টহলসহ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে’।

তিনি বলেন, ‘গাজীপুর জেলায় বর্তমানে পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ইতোপূর্বে ২০১৬ সালে গাজীপুরে ইউপি নির্বাচনের সময় একটি বিশেষ দলের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়ায় তাকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একবার প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তাছাড়া গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকায় কর্মরত মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের মতো সিভিল প্রশাসন ও পুলিশের চিহ্নিত দলবাজ ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বদলীপূর্বক নিরপেক্ষ পেশাদার কর্মকর্তা পদায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে’।

তিনি আরও বলেন, ‘বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়েছে। দাবিগুলো নির্বাচন কমিশন ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।’

সংবাদটি পঠিতঃ ১২৯ বার


সর্বশেষ খবর