বুধবার ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪০:৪৭

প্রকাশিত : বুধবার, ০৪ এপ্রিল ২০১৮ ০৩:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon


খুলনায় গ্রীষ্মের দাবদাহের সঙ্গে বাড়ছে সুপেয় পানির সংকট

খুলনা প্রতিনিধি : 

বৃহত্তর খুলনার উপকূলীয় এলাকায় চলছে তীব্র সুপেয় পানির সংকট। নেই পর্যাপ্ত নলকূপ। গরমে শুকিয়ে যাচ্ছে পানি। লবণাক্ততার আগ্রাসনে অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে নদী, খাল ও পুকুরের পানি। পানিবাহিত রোগে ভুগছে নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষ।
  
বৃহত্তর খুলনার উপকূলীয় এলাকার মানুষের গড় আয় ৬ হাজার টাকা। মাথাপিছু তিন লিটার ধরে প্রতিটি পরিবারের জন্য মাসে পানির চাহিদা মাসে ৩৫০ লিটারেরও বেশি।

বাড়তি দামে পানি কিনতে হলে এ ধরনের একটি পরিবারকে ব্যয় করতে হয় তাদের আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ।

নদী বেষ্টিত দাকোপ উপজেলার চারিদিকে থৈ থৈ করছে পানি। অথচ এখানে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্রচ- সংকট। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি, বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও রামপালেও বিশুদ্ধ পানির জন্য চলছে হাহাকার।

লোকসংখ্যার অনুপাতে পর্যাপ্ত নয় তিন জেলার ৮৬ হাজার নলকূপ। তার ওপর আবার বিকল রয়েছে সাড়ে ৮ হাজার নলকূপ। তাই খাবার পানি সংগ্রহে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিতে হয় উপজেলাগুলোর মানুষকে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, মোটর চালাতে হচ্ছে, ইলেকট্রিক বিল বেশি আসছে আগের চেয়ে। একটু পানি ওঠাতে অনেক বেশি সময় লাগছে। 

পানি গবেষকদের মতে, প্রতিবেশ ও পরিবেশকে বিবেচনায় এনে দীর্ঘ, মধ্য ও স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় পানি সমস্যার সমাধান সম্ভব। পানি গবেষক শামীম আরেফিন বলেন, ভূমিতে পানি ধারণ করার জায়গা থাকছে না, ভূ-গর্ভস্থ পানির লেয়ার নিচে নেমে যাচ্ছে।

তবে পানি সংকট নিরসনে সাধ্যমতো চেষ্টা চলছে বলে জানান জনস্বাস্থ্যের এই কর্মকর্তা।

খুলনা ওয়াসা পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, আগামী বছর থেকে আমরা সারফেস ওয়াটার দিতে পারব, গ্রীষ্মে আমরা অধিক সংখ্যক গ্রাহকদের পানি পৌঁছে দিতে পারব। শুধু উপকূলীয় এলাকায় নয়, খুলনা মহানগরীতেও গরমের শুরুতে প্রকট আকার ধারণ করেছে পানি সংকট। চাহিদার এক তৃতীয়াংশ পানিও সরবরাহ করতে পারছে না খুলনা ওয়াসা।

সংবাদটি পঠিতঃ ২০৯ বার


সর্বশেষ খবর