রবিবার ২৭ মে ২০১৮, ০৭:৪২:২৪

প্রকাশিত : রবিবার, ১২ জুলাই ২০১৫ ১১:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon


সৌখিন ফ্যাশনে ঘরে বসেই কেনাকাটা

ঈদের কেনাকাটা এখন আগের চেয়ে সহজ। প্রযুক্তির ছোঁয়া এখন সবখানে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে সামনে। আগে রোজা এলেই অনেকে চিন্তিত থাকতেন রোজা রেখে ঈদের বাজারে ভিড় ঠেলে, প্রচণ্ড গরমে মার্কেটে কেনাকাটা করতে যাওয়ার কথা মনে করে। রোজা রেখে গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই অনেকে কষ্টের ভয়ে মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করতে যেতে চান না। কিন্তু ঈদের কেনাকাটা তো করা চাই। তাই ক্রেতাদের চাহিদা ও কষ্টের কথা মাথায় রেখে তাদের ঈদের কেনাকাটা আরও সহজ করে দিতে কয়েকটি ফ্যাশন হাউস অনলাইনভিত্তিক পোশাক কেনাকাটায় ক্রেতাদের সেবা দিচ্ছে।

কষ্টের ভয়ে যারা মার্কেটে যেতে চান না কিংবা ব্যস্ততায় সময় পান না তারা এখন ঘরে বসেই এক ক্লিকে পছন্দের পোশাক বেছে নিয়ে অর্ডার করতে পারেন অনলাইন ফ্যাশন হাউসে।

এ জন্য দিতে হবে শুধু মাত্র পণ্য ডেলিভারি চার্জ। উন্নত বিশ্বে এ অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটা অনেক আগে থেকে শুরু হলেও বাংলাদেশে শুরু হয়েছে মাত্র দুই/তিন বছর আগে থেকে। তবে এ বছর কয়েকশ অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন হাউস চালু হয়েছে। যা এখন ক্রেতাদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়।

সৌখিন ফ্যাশন

রামপুরার হাজীপাড়ায় ঘরোয়াভাবে চলছে সৌখিন ফ্যাশন এর অনলাইনে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম। গত বছর এটি চালু করলেও মূলত এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ৯ জুলাই থেকে। আর এ অল্পদিনেই এর ফেসবুক পেইজে রয়েছে পঁচিশ হাজরেরও বেশি লাইক। এখনও কোনো শো-রুম না থাকলেও শিগগির শো-রুম নেয়ার চিন্তা করছে হাউসটির মালিক। নিজস্ব কিছু ডিজাইনের পোশাক আনার কথাও ভাবছে সৌখিন ফ্যাশন।

সৌখিন ফ্যাশনের এক ক্রেতা জানান, চাকরি করে পরিবারের জন্য মার্কেটে গিয়ে পোশাক কেনার সময় পাই না। তাই আমার বন্ধু ও আত্মীয়ের জন্য অনলাইন ফ্যাশন হাউস সৌখিন ফ্যাশন থেকে পছন্দের পোশাক বেছে নিই। সৌখিন ফ্যাশনের পোশকের কালেকশন অনেক ভালো। এখান থেকে আনারকলি পোশাক পছন্দ করে আমি বুকিং দিই। সকালে বুকিং দেই আর বিকেলেই সেই পছন্দের পোশাকটি আমার হাতে পৌঁছে দেয় ওরা।

চট্টগ্রামের কয়েকজন ক্রেতা মার্কেটের অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে কেনাকাটা করতে চান না। তাই ঈদের পোশাক কিনতে সৌখিন ফ্যাশন থেকে পছন্দমতো ‘ট্রেডিশনাল আনারকলি’ পোশাকটি বুকিং দিলে কুরিয়ারে ক্রেতার ঠিকানায় পোশাকটি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

কয়েকটি অনলাইন ফ্যাশন হাউসগুলোর সাথে কথা বলে জানা যায়, ইন্ডিয়া থেকে আনা বিপুল, গঙ্গা, এলটি, কাশিসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আনস্টিচ বা সেলাইবিহীন ফ্লোরটাচ আনারকলি, পার্টি ড্রেস, পাখি ড্রেস, ব্রাসোর থ্রি-পিস, সুতি থ্রি-পিস, পাকিস্তানি লন এর রেপ্লিকা ও অরিজিনাল থ্রি-পিস পাওয়া যায়। বেশি আছে সিল্কের থ্রি-পিস। আরও পাওয়া যাচ্ছে সিল্ক ধোপিয়া, বেলভেট, জিওরগেট্টি, ব্রাসো এবং কটন কাপড়ের ড্রেস।

সৌখিন ফ্যাশনে ফ্লোরটাচ অনারকলির দাম পড়বে সাত হাজার থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত, ট্রেডিশনাল আনারকলি ছয় হাজার থেকে নয় হাজার, পার্টি ড্রেস ও পাখি ড্রেস সাত হাজার থেকে এগার হাজার, ব্রাসোর থ্রি-পিস চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা, জর্জেট প্রিন্ট ফ্রক তিন হাজার সাতশ থেকে পাঁচ হাজার টাকা, ইন্ডিয়ান সুতি এমব্রয়ডারড ও ইয়ক থ্রি-পিস তিন হাজার আটশ থেকে পাঁচ হাজার, জর্জেট এমব্রয়ডারড বা ইয়ক থ্রি-পিস চার হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা, পাকিস্তানি লন এক হাজার আটশ টাকা, রেপ্লিকা তিন হাজার টাকা থেকে শুরু।

সংবাদটি পঠিতঃ ৫৮১ বার


আরো খবর

    ট্যাগ নিউজ

    সর্বশেষ খবর